শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

২ লক্ষ টাকা ঘুষ না দেয়ায় বিপক্ষে রায়; রংপুর জোনাল অফিসারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

জনভূমি বার্তা নিউজ
প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...




২ লক্ষ টাকা ঘুষ না দেয়ায় বিপক্ষে বেকডেটে বিপক্ষে রায়ে রংপুর জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মোঃ নাজমুল হুদা, নাজির তোফাজ্জল হোসেন, পেশকার মোঃ শামীম হোসেন এবং ভূরুঙ্গামারী সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার লতিফুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হয়েছে।


এ ঘটনায় কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বাসিন্দা লুৎফর রহমান গত ৬ মে মহাপরিচালক, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। একই ধরনের অভিযোগ ৭ মে দায়ের করেন ইনছার আলী।


অভিযোগে বলা হয়, ৯৩/২৩ নম্বর মিসকেসে বিবাদীপক্ষ ১৯৭০ সালের একটি আমোক্তানামা দলিল উপস্থাপন করলেও বাদীপক্ষ দাবি করে, তাদের পূর্বসূরিরা ১৯৬৩ ও ১৯৬৪ সালের বৈধ দলিলের মাধ্যমে জমি ক্রয় করেন। পরে ২০০৫ সালে লুৎফর রহমান গং জমি ক্রয় করে নামজারি, খাজনা পরিশোধ ও রেকর্ড সংশোধন সম্পন্ন করেন।


অভিযোগ অনুযায়ী, ৩১ ধারার শুনানিকালে সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার লতিফুর রহমান ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ না দেওয়ায় ২০২১ সালের ৭ মার্চ লুৎফর রহমানকে গরহাজির দেখিয়ে তার ১ দশমিক ৪২ একর জমি কর্তন করে বিবাদীপক্ষের অনুকূলে রায় দেওয়া হয়।


পরে ৪২ (ক) ধারায় করা আবেদন ৯৩/২৩ নম্বর মিসকেস হিসেবে নথিভুক্ত হয়। সর্বশেষ ৮ এপ্রিল ২০২৫ উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার নাজমুল হুদা জানান, ১৮৭৩৮/৭০ নম্বর আমোক্তানামা দলিলের সত্যতা যাচাই করে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। পরবর্তীতে ১৪ ও ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে দলিল সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়।


লুৎফর রহমানের দাবি, অনুসন্ধান চলাকালে জোনাল অফিসারের ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তি তাকে জানান, “দুই লাখ টাকা দিলে পক্ষে রায় হবে।” অফিসে যোগাযোগ রেখে জানতে পারে এপ্রিল ২০২৬ এ আদেশ দিয়েছে এবং কপি তুলে তিনি দেখেন, তার বিপক্ষে ব্যাকডেটে আদেশ দেওয়া হয়েছে।


তিনি অভিযোগ করেন, বৈধ দলিল, নামজারি ও খাজনার কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও রায়ে তা অগ্রাহ্য করা হয়েছে। অন্যদিকে বিবাদীপক্ষের নামে খারিজ না থাকলেও রায়ে খারিজ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।


লুৎফর রহমান বলেন, “দুই লাখ টাকা ঘুষ না দেওয়ায় আমার বিপক্ষে রায় দেওয়া হয়েছে। অফিসারকে এ বিষয়ে বলতে গেলে তিনি বলেন আমি যা রায় দিয়েছি সঠিক দিয়েছি। সন্তুষ্ট না হলে সরকারের অন্যান্য দপ্তর রয়েছে। আর আমি যদি সঠিক রায় দেই তাহলে আদালত বা অনন্য দপ্তর কি করবে। দীর্ঘ ৫ বছর পর এ রায়ে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।”


ইনছার আলীও অভিযোগ করেন, ঘুষ না দেওয়ায় যথাযথ নোটিশ ছাড়াই তার জমি সংক্রান্ত মামলার আদেশ দেওয়া হয়েছে।


অভিযোগকারীরা মিসকেস নং-৯৩/২৩ ও সংশ্লিষ্ট আপিল কেসের আদেশ বাতিল, ডি.পি খতিয়ান বহাল এবং অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


এ বিষয়ে রংপুর জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মোঃ নাজমুল হুদা বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।


জোনাল অফিসসহ বিভিন্ন দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তথ্য পাঠাতে পারেন আমাদের ঠিকানায়

This theme has been developed by JANABHUMIBARTA.
শিরোনাম...

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন